প্রাকৃতিক কিছু ব্যথা নাশক ওষুধ
এখানে যে সমস্ত ঔষধাবলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে তা সবই প্রাকৃতিক
এবং প্রায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত। তবু এই সমস্ত
কিছু নেওয়ার আগে নিজের সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন।
২. ঘৃতকুমারী বা Aloe Vera – কোন জায়গা পুরে গেলে, অঘাত লাগলে, কেটে গেলে, ঘা হলে, ছাল উঠে গেলে ঘৃতকুমারী রসের প্রলেপ দিলে যন্ত্রণার উপশম হয় ও খুব তাড়াতাড়ি উপশম হয়। বাতের ব্যাথায় ঘৃতকুমারী রসের মালিশ খুব কার্যকারী। অ্যাকুইট বা ক্রনিক সমস্ত ব্যাথার ক্ষেত্রে ঘৃতকুমারী রসের মালিশ খুবই উপকারী। যে স্থানে ব্যাথা করছে সেখানে ঘৃতকুমারী রস ভালো করে মালিশ করে রোদে বসে থাকলে শীঘ্রই ব্যাথা কমতে শুরু করে সাথে শরীরে ভিটামিন ডি’এর ঘাটতি পূর্ণ হতে থাকে। মাথা ব্যাথা করলে এর রস মাথায় ঘসে ঘসে লাগালে খুব তাড়াতাড়ি যন্ত্রণার উপশম হতে থাকে।
৩. সজনা পাতা বা Moringa Leaves – সজনা গাছ বা সজনা পাতাকে সমস্ত ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে
সর্বশ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। আমেরিকার একটি সংস্থা NASA এই গাছকে নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে গবেষণা
করে যা পরিণাম পেয়েছে তাতে এই গাছকে অলৌকিক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই গাছের পাতার
মধ্যে পাওয়া যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত ভিটামিন, মিনারেলস।
এতে কমলা লেবুর থেকে প্রায় ৭ গুন বেশি ভিটামিন সি থাকে এবং কলার থেকে ১৫ গুন বেশি
পটাশিয়াম থাকে। এছাড়া এতে থাকে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, আইরন এবং অ্যামিন অ্যাসিড যা আমাদের শরীরকে সুস্থ করতে ও পেশী মজবুত করতে
সাহায্য করে। এই পাতা দিয়ে
প্রায় ৩০০ ধরণের রোগকে নিরাময় করা যায়। যাদের মধ্যে ডায়াবেটিক, ক্যানশার,
হার্ট ডিজিজ, সমস্ত ধরণের জ্বালা যন্ত্রণা;
ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস এবং ফাংগাল সংক্রমণ,
সন্ধি প্রদাহ ইত্যাদি রয়েছে। আপনি যদি
প্রতিদিন ব্লাড প্রেশারের ওষুধ নেন তবে একমাস সজনা পাতার গুঁড়া এক চামুচ করে চায়ের
সাথে মিশিয়ে সকালে পান করুন, দেখবেন আপনার আর ওষুধ নেওয়ার
প্রয়োজন পরবে না, ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।



